শেয়ারবাজারে মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন কোম্পানি থাকতে পারে। ক্যাটাগরিগুলো হলো A,B, N,Z এবং G ক্যাটাগরির শেয়ার।
A ক্যাটাগরি শেয়ার কি? যে সকল কোম্পানি সময় মত বার্ষিক সাধারণ সভা এবং 10 শতাংশ বা তার থেকে বেশি লভ্যাংশ প্রদান করেন তারা এই ক্যাটাগরি কোম্পানি।
B ক্যাটাগরি শেয়ার কি? যে সকল কোম্পানি সময় মতন বার্ষিক সাধারন সভা করে এবং 10 শতাংশ এর কম লভ্যাংশ প্রদান করে তারা B ক্যাটাগরি।
N ক্যাটাগরি শেয়ার কি? যে সকল কোম্পানির শেয়ার বাজারের নতুন তালিকাভুক্ত হয় তারা N ক্যাটাগরির কোম্পানি। নতুন তালিকাভুক্ত হওয়ার পরের অর্থবছরে লভ্যাংশ প্রদানের ভিত্তিতে কোম্পানিটি A , B অথবা Z ক্যাটাগরিতে আসতে পারে।
Z ক্যাটাগরি শেয়ার কি? যে সকল কোম্পানি বার্ষিক সাধারন সভা করে না অথবা লভ্যাংশ প্রদান করে না অথবা টানা ছয় মাস উৎপাদনের নেই তারা Z ক্যাটাগরি কোম্পানি। নতুন বিনিয়োগকারী অবশ্যই এ Z ক্যাটাগরি কম্পানি এড়িয়ে যেতে হবে।
G ক্যাটাগরির শেয়ার বলতে কী বোঝায় ? যে সব কোম্পানি উৎপাদনে আসার আগে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত লিস্টের হয় তারা যে ক্যাটাগরি বা গ্রীনফিল্ড কোম্পানি। 2003 সালের লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট গ্রীনফিল্ড কোম্পানি হিসেবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় তারপর আর কোন কোম্পানি যে ক্যাটাগরিতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি।
বিঃদ্রঃ- আর একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো যদি আপনি ক্যাটাগরিতে বা N থেকে শেয়ার কিনেন তাহলে আপনার শেয়ার দুইদিন পর বিক্রি করার উপযোগী হবে। ধরুন আজকের রবিবার এবং আপনি এই A ,B ,N ক্যাটাগরি থেকে একটি শেয়ার কিনলেন এবং তা যদি বিক্রি করতে চান তাহলে আপনাকে তা বিক্রি করতে হবে মঙ্গলবার ।
A/B/N ক্যাটাগরির শেয়ার T+1 দিন পরে ম্যাচিউর বা বিক্রয়যোগ্য হয়। শেয়ার কেনার দিন এবং তার পরবর্তী এক কর্মদিবস পরে শেয়ার ম্যাচিউর বা বিক্রয়যোগ্য হয়।
Z ক্যাটাগরির শেয়ার কিনলে T+3 দিন পর শেয়ারটি ম্যাচিউর হয় অর্থাৎ শেয়ার কেনার দিন ও তার পরের ৩ কর্মদিবস পরে শেয়ার ম্যাচিউর হয়। আর আপনি যদি যে সকল শেয়ার স্পট মার্কেট এ লেনদেন হচ্ছে ওই সকল শেয়ার কিনেন, তাহলে ওই শেয়ার কিনার পরের দিন বিক্রয় করতে পারবেন।
